
“আগে প্রয়োজন আমাদের নিরাপত্তা”
উন্নয়ন, কর্মব্যস্ততা কিংবা দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনে আমরা প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছি। কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেই অনেক সময় আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিরাপত্তা উপেক্ষিতই থেকে গিয়েছে। অথচ একটি দুর্ঘটনা মুহুর্তেই শেষ করে দিতে পারে একটি পরিবারকে, পরিবর্তন এবং রুদ্ধ করে দিতে পাবে স্বাভাবিক জীবনকে।
সারা বিশ্ব এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। আর সেই নিরপত্তাহীতার চিত্র প্রতিনিয়তই মিডিয়ার মাধ্যমে দেখে চলেছি। আর এজন্যই হয়তো নেপালের প্রধামন্ত্রী বলেছেন খাদ্যের নিরাপত্তা না থাকলেও বিশ্বে অস্ত্রের নিরাপত্তা ঠিকই রয়েছে। বিশ্বের দিক থেকে একটু নিজের দেশের দিকে নজর দেয়া যাক। বর্তমানে বাংলাদেশ যেনো নিরাপত্তাহীনতার চরম পর্যায়ে পৌছেছে। বাজার, রাস্তা-ঘাট, বাসা কোথাও যেনো কোন নিরাপত্তা নেই। ছিন্তাই, চুরি, ডাকাতি, দখলদারিত্ব, ধর্ষণ সহ সকল ধরনের অপকর্ম এখন নিত্য দিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। স্যেশাল মিডিয়া সহ সকল মিডিয়াতে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে একইধরনের চিত্র। চারিদিকে যেনো শুধু বোবাকান্নার গুম-গুম শব্দ। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া মানুষের বাহিরে বের হওয়া যেনো স্বপ্নের মতো হয়ে যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে কোনোভাবেই মানুষের জীবনের চেয়ে কোন কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়। এজন্য প্রতিটি নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
এমন দেশ তো আমরা চেয়েছিলাম না। আমাদের দেশের ছাত্র-জনতা এ-দেশকে তো পাল্টাতে চেয়েছিল, হ্যা ৩৬’জুলাই-২৪ এ-দেশ পাল্টিয়েছে সত্যি তবে সত্যিকার অর্থে এই পরিবর্তন কেউ চাইনি। জানিনা বিবেকহীন মানুষগুলোর কখন বিবেক ফিরে আসবে। সত্যিই কি ফিরবে বিবেক ? সত্যিই পরিবর্তীত বাংলাদেশ ফিরে পাবো আমরা ? আমরা আশাহত নয় তাইতো সোনার বাংলা তোমাকে খুজে ফিরি নতুন রুপে-।
কে বাসার আরফিন
(লেখক, গবেষক ও সংগঠক)।
![]()
Leave a Reply